সর্বশেষ খবরঃ

বেনাপোল সীমান্তের চোরাকারবারী লিটনের খুঁটির জোর কোথায়!

বেনাপোল সীমান্তের চোরাকারবারী লিটনের খুঁটির জোর কোথায়!
বেনাপোল সীমান্তের চোরাকারবারী লিটনের খুঁটির জোর কোথায়!

স্টাফ রিপোর্টার :: বেনাপোল সীমান্তের চিহ্নিত চোরাকারবারী ও যুবলীগ নেতা গোয়েন্দা লিটনের দাপটের মূলে অবৈধ্য কালো টাকা ও আওয়ামী রাজনিতী। যদিও লিটন ভোল পাল্টে এখন বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় নিজের চোরাকারবারী ব্যবসা পরিচালনা ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে।লিটনের রয়েছে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা তাই সে চোরাচালানী করলেও অধরা।

সীমান্তের সাদীপুর রোডে জনৈক মিজাকের বিল্ডিংএ তুর্জ স্টোর নামে ভাড়ায় দোকান ঘর নিয়ে ভারত হতে চোরাই পথে ও পাসপোর্ট যাত্রীর সাথে ল্যাগেজ সুবিধায় আনা শুল্ক ফাঁকি পণ্যের( কসমেটিক্স,কম্বল,শাড়ি থ্রীপিচ ও ঔষধ ) রমরমা ব্যবসা রয়েছে লিটনের।সাথে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হয়ে অসাধু পাসপোর্টযাত্রীদের কাছ হতে ঘুসের টাকা উত্তোলনকারী এই লিটন।

স্থানীয় একাধিক সূত্র হতে জানা গেছে,বেনাপোল পৌরসভাধীন গাজিপুর গ্রামের ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য লিটন অল্প সময়ে চোরাচালানী ব্যবসা ও সরকারী রাজস্ব ফাঁকি কাজে সহযোগীতা দিতে ভারত হতে আগত পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছ হতে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যদের ঘুসের টাকা তুলে গাজীপুর,সাদিপুর ও যশোরের পুলেরহাট এলাকায় নামে বেনামে অঢেল সম্পত্তি কিনেছেন।

ভারত হতে পাসপোর্টযাত্রী দের সাথে আসা অতিরিক্ত পণ্য কাস্টমস,পুলিশ ও বিজিবি ম্যানেজ করে শুল্ক ছাড়ায় ইমিগ্রেশান পারাপারকারী সিন্ডিকেটের ক্যাশিয়ার এই লিটন। কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যদের ল্যাগেজ প্রতি ঘুসের টাকা দীর্ঘ বৎসর ধরেই উত্তোলন করাই সকলে তাকে ডাকে গোয়েন্দা লিটন নামে।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাথে তার গোপন আতাত থাকায় ভারতীয় ইমিগ্রেশানে লিটনের লোক পরিচয় দিলেই ব্যাগ তল্লাশী করেনা বি এস এফ সদস্যারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটনের মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান,এখন আমি আর কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দাদের টাকা তুলিনা তারা এখন নিজেরাই যাত্রীদের কাছ থেকে নেই। আমি এখন চকলেট ও বিস্কুট বিক্রি করি। খাদ্য পণ্য বলে বিএসএফ ও বিজিবি মাল ধরেনা।

গোয়েন্দা লিটন সম্পর্কে এলাকায় অধিকতর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, পুলেরহাট এলাকার তেঘড়ী গ্রামের লিটন বৈবাহিক সুত্রে বেনাপোল এলাকায় বসবাস করছে। প্রথম জীবনে বেনাপোল স্থল বন্দরের চোরাই পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করলেও এখন তিনি ভারতীয় কসমেটিক্স পণ্যের চোরাচালানী ব্যবসা করছে।এ কাজে বিজিবির দেওয়া মামলায় সে জেলও খেটেছে।

ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী রাকেশ ঘোস জানান( পাসপোর্ট নং-২৭৫৯৪০৭২)ভারত সরকারের দেওয়া মাল্টিপল ভিসা নিয়ে প্রতিদিন আনুমানিক ৪শ ভারতীয় যাত্রী ল্যাগেজ সুবিধায় শাড়ী, থ্রীপিচ, কসমেটিক্স পণ্য,কম্বল,খাদ্য দ্রব্য, মদ, ভারতীয় ঔষধ ও মেডিকেল যন্ত্রাংশ মালামাল ভারত হতে এনে বাংলাদেশে বিক্রি করে থাকেন।

একাজে তাদের আইন প্রয়োগকারী বাহিনী গুলোর হয়রানী এড়াতে ব্যাগ প্রতি চাহিদা মত টাকা( শুল্ক গোয়েন্দা, বিজিবি ও ইমিগ্রেশান পুলিশ )গোয়েন্দা লিটনের কাছে জমা দিতে হয়।

লিটনগং দের সিন্ডিকেটের ফাঁদে সরকার প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হলেও টনক নড়ছেনা সংশ্লিষ্ঠ উর্দ্ধতণ কর্তৃপক্ষের।

আরো খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছিঃ স্পিকার
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছিঃ স্পিকার
নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে খুন
নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে খুন
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মিল ও ওয়ার্কশপে ভয়াবহ আগুন
চিরিরবন্দরে মিল ও ওয়ার্কশপে ভয়াবহ আগুন
মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা
মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অনুদান পেল শিক্ষার্থী, রোগী,ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অনুদান পেল শিক্ষার্থী, রোগী,ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
বিশ্বজুড়ে নিজ নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
বিশ্বজুড়ে নিজ নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা জিতেছে স্পেন
বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা জিতেছে স্পেন