সর্বশেষ খবরঃ

নড়াইলে অকেজো সৌর বিদ্যুৎ চালিত সড়কবাতিতে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

নড়াইলে অকেজো সৌর বিদ্যুৎ চালিত সড়কবাতিতে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
নড়াইলে অকেজো সৌর বিদ্যুৎ চালিত সড়কবাতিতে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

উজ্জ্বল রায়( নড়াইল )জেলা প্রতিনিধি :: নড়াইলের তিনটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্রামীণ সড়কগুলোতে জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য স্থাপন করা হয় সৌর বিদ্যুৎচালিত সড়কবাতি। পাঁচ বছর যেতে না যেতেই অধিকাংশ বাতি অকেজো হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়দের। তারা জানান,সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেয় নেয়নি।

জেলা ত্রাণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের আওতায় ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কাজ শুরু হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসে কাজ শেষ হয়। কাবিটার অধীনে ২ হাজার ৬৯৫টি এবং টিআর প্রকল্পের অধীন ৩ হাজার ৩৮৮টি সোলার হোম ও স্ট্রিট লাইট বা সড়কবাতি স্থাপন করা হয়। ফলে নড়াইল-কালিয়া, নড়াইল-মাইজপাড়া, নড়াইল-চন্ডীবরপুরসহ অনেক গ্রামীণ সড়ক, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সৌর বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে।

নড়াইল সদর উপজেলার ফেদি বাজারের ধান ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাজার, স্কুল ও মাঠসহ বিভিন্ন এলাকায় কিছু সড়কবাতি লাগানো হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু জ্বলে,আবার কিছু জ্বলে না।”

কালিয়া উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের টাবরা সড়কে কিছু সড়কবাতি অকেজো হয়ে পড়েছে। ইউপি সদস্য ভবরঞ্জন রায় বলেন, “টাবরা সড়কে সাতটি সড়ক বাতির একটিও জ্বলে না। সোলার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেকের লোকজন সড়কবাতি মেরামত করেছিল। তারপর আর এসব বাতি দেখাশোনার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। অনেক বাতি ওয়ারেন্টি শেষ হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট অফিসে অভিযোগ দিয়েও কাজ হয়নি।”

লোহাগড়া উপজেলার মরিচপাশা গ্রামের আজম শেখ জানান, মরিচপাশা কবরস্থানে রাস্তার পাশে একটি বাতি স্থাপন করা হয়েছিল। কয়েক মাস পরই সেটি নষ্ট হয়ে যায়। বিভিন্ন সরকারি অফিসে যোগাযোগ করেও বাতি আর স্থাপন করা যায়নি।”

সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার সোয়েবুল ইসলাম বলেন, “সদর উপজেলায় আমাদের কোম্পানি সোলার সরবরাহ করেছে। তিন বছরের ওয়ারেন্টি থাকাকালে সড়কবাতি নষ্ট হয়ে গেলে নিয়ম অনুযায়ী আমরা মেরামতের ব্যবস্থা করেছি। এখন ওয়ারেন্টির সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় আমাদের কিছু করণীয় নেই। নষ্ট হওয়া সোলার মেরামতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে যদি আমাদের দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমরা মেরামতের ব্যবস্থা করব।”

নড়াইল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “জেলার বিভিন্ন সড়কে ১ হাজার ১২৭টি খুঁটিসহ স্ট্রিট লাইট স্থাপনের তথ্য আমাদের কাছে আছে। বাকিগুলোর কোনো তথ্য নেই। ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রকল্প শেষ হয়েছে। পরে এসব বাতি সংরক্ষণের জন্য কোনো বরাদ্দ আসেনি। তবে বরাদ্দ পেলে বাতিগুলো চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

আরো খবর

ডিবি পুলিশের অভিযানে যশোরে  ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেফতার
ডিবি পুলিশের অভিযানে যশোরে  ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেফতার
বিকেএসপিতে শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
বিকেএসপিতে শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
অভিনেত্রী রাশমিকা শুটিংয়ে গুরুতর আহত
অভিনেত্রী রাশমিকা শুটিংয়ে গুরুতর আহত
দিনাজপুরে গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্ৰেফতার
দিনাজপুরে গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্ৰেফতার
টেকনাফের হাসপাতালে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ
টেকনাফের হাসপাতালে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ
শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস পালিত
শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস পালিত
স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক
স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক
যশোরে শ্রেণী কক্ষে ঢুকে অভিভাবকের মাথা ফাটালো এমপি কন্যা
যশোরে শ্রেণী কক্ষে ঢুকে অভিভাবকের মাথা ফাটালো এমপি কন্যা