সর্বশেষ খবরঃ

মুক্তেশ্বরী নদী ব্যক্তির নামে দলিল ও বিক্রির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত

মুক্তেশ্বরী নদী ব্যক্তির নামে দলিল ও বিক্রির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত
মাসিক রাজস্ব সভার ছবি

আনোয়ার হোসেন:: যশোরের মুক্তেশ্বরী নদীর জমি ব্যক্তির নামে দলিল হয়েছে এবং প্রায় দেড়শো মিটার নদী ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রি হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে গতককাল ( ২৪আগস্ট ) রবিবার মাসিক রাজস্ব সভায় এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

যশোর জেলা কালেক্টরেট ভবন অমিত্রাক্ষর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক মোঃ আজহারুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় তিনি যশোর সদরের সহকারী কমিশনার( ভূমি ),পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণের সমন্বয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

সভায় জানানো হয়,শহিদ জিয়াউর রহমান খালের প্রান্ত থেকে পার্শ্ববর্তী সেতু পর্যন্ত মাটি ভরাট করে সম্পূর্ণ নদী দখল করে প্লট বিক্রির সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে।পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এমদাদুল হক জানান,সেখানকার স্থানীয়রা তাদের জানিয়েছেন মনা নামে এক ব্যক্তি এই জমি রেকর্ড করে নিয়েছে এবং জারিফা ইসলাম রোজ নামে এক মহিলা সাইনবোর্ড দিয়ে প্লট আকারে জমি বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত সাইনবোর্ডের ছবি পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাইনবোর্ডে ২৯টি প্লট বিক্রির একটি মানচিত্র দেওয়া আছে। ৫৮ নম্বর ভাতুড়িয়া মৌজার ২৮৩১ দাগের ওই ২৯টি প্লট বিক্রি করা হবে। সাইনবোর্ডে জারিফা ইসলামের নামের সাথে তিনটি মোবাইল নম্বরও লেখা রয়েছে বলে আরো জানান।

নদী দখল সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপনের সময় আরও উঠে আসে,মুক্তেশ্বরী নদীর বহু অংশ প্রভাবশালীরা দখলে নিয়ে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করছেন।

এ সময়ে যশোর জেলা প্রশাসক ও সভার সভাপতি মোঃ আজহারুল ইসলাম সরকারি কৌশুলি ( জিপি ) শেখ আব্দুল মোহায়মেনের পরামর্শ চাইলে তিনি আইনের বিভিন্ন ধারা তুলে ধরেণ এর উচ্ছেদের সহজ পথগুলো ব্যাখ্যা করেন।

তিনি জানান, হাইকোর্টের রায়ে নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ বলা হয়েছে। তাছাড়া এই জাতীয় ক্ষেত্রে ইজারা দেওয়া থাকলে বা দলিল হয়ে গেলেও আইনের ধারা বলে সবই বাতিল হতে পারে। তিনি আরও কয়েক টি আইনের ধারা উল্লেখ করে জানান,১৯৫৫ সালের নদী সংক্রান্ত আইনের ২৩(৪) ধারা বলে অবৈধ দখলদার কে উচ্ছেদ করা যেতে পারে।সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) নিজেই সিএস খতিয়ান ও আরএস খতিয়ান দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন বলে জানানো হয়।

যশোরের শার্শার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাঃ কাজী নাজিব হাসান উপজেলার বেতনা নদী ও হাকর নদীর দুরবস্থা তুলে ধরেন এবং দখলদার উচ্ছেদের বিষয়ে অনুরোধ করেছেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব ) কমলেশ মজুমদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার বৃন্দ।

 

আরো খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছিঃ স্পিকার
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছিঃ স্পিকার
নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে খুন
নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে খুন
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মিল ও ওয়ার্কশপে ভয়াবহ আগুন
চিরিরবন্দরে মিল ও ওয়ার্কশপে ভয়াবহ আগুন
মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা
মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অনুদান পেল শিক্ষার্থী, রোগী,ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অনুদান পেল শিক্ষার্থী, রোগী,ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
বিশ্বজুড়ে নিজ নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
বিশ্বজুড়ে নিজ নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা জিতেছে স্পেন
বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা জিতেছে স্পেন