নিজিস্ব প্রতিবেদক :: নিয়ম নিতীর তোয়াক্কা না করেই ভূমি সেবা গ্রহীতাদের কাছ হতে নামজারী,ভূল সংশোধন ও ভূমি কর পরিশোধে লাগামহীন ঘুস বানিজ্যে মেতেছেন যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল ভূমি অফিস সহায়ক পদে কর্মরত অসীম কুমার দাম|
কখনো নায়েব অথবা সার্ভেয়ার,আবার কখনো এ্যাসিল্যান্ডকে ম্যানেজ করে অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে কাজ সম্পাদনের আশ্বাসে ভূমি সেবা প্রত্যাশীদের কাছ হতে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা|
অসীমের ঘুস বানিজ্যে ভূমি সেবা প্রত্যাশীরা অতিষ্ট হলেও নির্বিকার উপজেলা প্রশাসন| অভিযোগ দিলে মেলে হয়রানি জানিয়ে ভূক্তভোগীদের আশঙ্কা উর্দ্ধতণদের সবুজ সংকেতেই অসীম ঘুস বানিজ্যে বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে|
বেনাপোল ভূমি অফিসের কর্মকর্তা অসীমের ঘুস বানিজ্যে বলি হওয়া বেনাপোল পৌরসভার ভবেড়বেড় গ্রামের মৃত শহীদুল্লাহর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৮) জানান,বেনাপোল পৌরসভাধীন ৮৮ নং ভবেরবেড় মৌজায় ১ নং খতিয়ানের ৪১ শতক জমিতে থাকা চলাচলের রাস্তা সার্ভেয়ার মিজানকে ম্যানেজ করে প্রভাবশালীদের কাছ হতে দখল মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ হতে নগত ৯০হাজার টাকা গ্রহণ করলেও অদ্যাবধি চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করে দেইনী| ফলে আমরা মানবেতর জীবনপাত করছি|
অভিযোগ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তা অসীমের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন ঐ টাকা সাইফুলকে ফেরত দেওয়া হয়েছে|
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য সূত্রে জানা যায়, অসীমের পৈত্রিক বাড়ি নড়াইল ও তিনি উপজেলা সংলগ্ন শার্শা বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন| এ সুবাধে উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ও সেটেলম্যন্ট অফিসে কর্মরতদের সাথে গভীর সখ্যতা রয়েছে| চাকুরির সুবাধে ২০০৬ সালে বেনাপোল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক হিসাবে যোগদান করেন| তারপর হতেই বেনাপোল ভূমি অফিসে অনিয়ম-দূর্নীতিতে একক ছত্রপতি হয়ে ওঠে|
আওয়ামী সরকারের আমলে ভূমিহীনদের জমি ও ঘর বরাদ্দে সাবেক নায়েব আবু সাঈদ মোল্লার প্রধান সহযোগী হয়ে অশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর প্রত্যাশীর কাছ হতে হাতিয়েছেন লাখ লাখ টাকা|
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি ) মোঃ নিয়াজ মাখদুমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এ সংক্রান্তে ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ জানালে তদন্ত পূর্বক অফিস সহায়ক অসীমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মাহমুদুল হাসান
© 2025 - All right ® by JashorePost